Sunday, 25 September 2022

২৫শে সেপ্টেম্বর ২০২২, রবিবার

চারে তিন

শ্রুতি, স্বাধ্যায়, ছন্দস, আগম, নিগম, অপৌরুষেয় 'অনন্ত বৈ বেদা' বেদের আর এক নাম ত্রয়ী - ঋগ্বেদ, সামবেদ, যজুর্বেদ - এই তিন একত্রে। কিন্তু অথর্ববেদ বাদ পড়লো কেন? আদৌ কি তাই?

বৈদিক পণ্ডিত কাত্যায়ন বেদকে দুটি অংশে ভাগ করেন - মন্ত্র ও ব্রাহ্মণ। মন্ত্রভাগের নাম সংহিতা (আরণ্যক ও উপনিষদ নিয়ে ব্রাহ্মণ) - যা সংখ্যায় চারটি (ঋগ্বেদ সংহিতা, সামবেদ সংহিতা, যজুর্বেদ সংহিতা এবং অথর্ববেদ সংহিতা)। মন্ত্রের তিনটি রূপ - পদ্যাত্মক, গীতিময় এবং গদ্যাত্মক। ছন্দোবদ্ধ পদ্যাত্মক মন্ত্রসকল নিয়ে ঋগ্বেদ রচিত; সুরবদ্ধ গীতিময় গানসমূহে রচিত সামবেদ এবং অবশিষ্ট গদ্যাংশ বিরচিত যজুর্বেদে। এই তিন মন্ত্রভাগ এবং তদসংশ্লিষ্ট বেদের প্রকরণ তিনটি একত্রে ত্রয়ী পরিচয় পেয়েছে।

প্রকৃতপক্ষে, অথর্ববেদ (সংহিতা) মন্ত্রের ভিন্ন চতুর্থ কোনও রূপ নেই, এটি পূর্বোক্ত তিন রূপেরই সমাহার। তাই ঋক, সাম, যজু সহ পদ্যগীতগদ্যাত্মক মন্ত্রসমন্বিত অথর্ববেদকেও ত্রয়ীর অন্তর্ভুক্ত করা হয়।

Thursday, 15 September 2022

১৫ই সেপ্টেম্বর ২০২২, বৃহস্পতিবার

ব্রিটিশ গণিতবিদ স্যর এরিক ক্রিস্টোফার জিম্যানের মনে হল চতুর্মাত্রিক অধিগোলকের অন্তর্গত কোনো প্রকার গিঁটকে খুলে মুক্ত করা অসম্ভব। এখন তার প্রমাণ চাই। তাই স্বীয় সংকল্প (কনজেকচার) প্রমাণে উঠেপড়ে লাগলেন তিনি। কিন্তু সাত-সাতটা বছর ব্যয় করেও কোনো কূলকিনারা করতে পারলেন না। অবশেষে একদিন ঠিক করলেন উল্টোটি প্রমাণের চেষ্টা করে দেখবেন! এবার শুরু হল গিঁট খোলার প্রয়াস।
সাত বছরের প্রচেষ্টা পণ্ডশ্রমে পর্যবসিত হল। জিম্যান নিজেই প্রমাণ করে দেখালেন তাঁর অনুমানটি সঠিক ছিল না। যা অসম্ভব ভেবেছিলেন, তা রীতিমতো সম্ভব।

চতুর্মাত্রিক অধিগোলকের অন্তর্গত কোনো প্রকার গিঁটকে খুলে মুক্ত করা সম্ভব - এটি প্রমাণ করতে স্যর এরিক ক্রিস্টোফার জিম্যান সময় নিয়েছিলেন স্রেফ কয়েক ঘণ্টা।