Sunday, 2 July 2017

২০১৭, ১২ মার্চ

ফটোগ্রাফার স্মরণে -

শহরতলির শিল্পীরা, বিশেষ করে স্বনির্ভর আলোকচিত্র শিল্পীরা নির্ভেজাল যোগ সাধনের স্বার্থে শরীর পাতন করেন বটে ; তবুও তাদের 'গেঁয়ো যোগীর' প্রাপ্য ভিখটুকুও নসীব হয় না । আদর এবং অভ্যর্থনা খালি সামাজিক গণমাধ্যমগুলিতেই ভুঁড়ি ভুঁড়ি পছন্দ, বেশ খানেক মন্তব্য এবং খানকয়েক ভাগ গ্রহনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে । এমনকি পথেঘাটে গুণগ্রাহীদের থেকে সাদর সম্ভাষণও জোটে না এই হতভাগ্য উপনাগরিক শিল্পীদের । সত্যিই হৃদয় বিদারক বঞ্চনা !
তাই বঞ্চিত হতশ্রদ্ধ আলোককলাকুশলীরা সুযোগ পেলেই ছুটে যায় অবাধ এবং বৃহত্তর আনুকূল্যের সন্ধানে । দুর্গোৎসবের শুরুতে কামারটুলি হোক অথবা বসন্তোৎসব চলাকালীন জোড়াসাঁকো বা শান্তিনিকেতন - তাদের দেখা মেলে ধূলাচ্ছন্ন ধরায় ধরাশায়ী ধ্যানমগ্ন কল্পতরু রূপে । এলাহি খাতির মেলে । মহানগরীর বিশেষ্যহীন উঁচু লোকেদের সংযত প্রশংসায় গদগদ শিল্পীরা বিনয়ের বটুয়া বনে যান । বিনামূল্য শ্রম বিলিয়ে তখন তাদের আহ্লাদে আটখানা বদন - সে এক দেখবার জিনিস ! সমুদ্রপারের শ্বেতাঙ্গ 'রমণ'-রমণীদের অভ্যর্থনা কুড়োতেও পিছুপা হননা তারা - পরিবর্তে খালি একটা 'পিলিজ, ওয়ান টুগেদার পিকচার !'

সংস্কৃতি এবং ঐতিহ্য - এই নিয়েই তো বাঙালির গৌরব ।

(গুরুচণ্ডালী তথা ব্যাকারণগত দোষের সম্ভাবনা আছে, তাই আগাম ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি)

No comments:

Post a Comment