Sunday, 2 July 2017

২০১৭, ২২ মার্চ

বর্তমান বাংলার কতিপত উচ্চবিত্ত শিক্ষিত সম্প্রদায় , যারা নিজেদেরকে ফিলানথ্রপিস্ট বুদ্ধিজীবী বলে দাবি করেন , তাদেরকে নির্দ্বিধায় ষষ্ট শ্রেণীর পরিবেশ ও বিজ্ঞান বিষয়ের পাঠ্যক্রমের মিথোজীবী অধ্যায়ে অন্তর্ভুক্ত করা হোক । গোবক ও গরুর উদাহরণের পাশাপাশি এই ধরনের নমুনা বুদ্ধিজীবীদের সচিত্র নিদর্শন নিঃসন্দেহে ছাত্রছাত্রীদের আগ্রহ বৃদ্ধিতে কার্যকারী হবে ; কারণ তাদেরও যে মানুষের মতো হাত-পা-ত্রিশূল আছে ।

মিথোজীবী কেন ?

কারণ , একজন কবিতা লিখলেন । কিন্তু কেও খাবে না । তখন একদল মোসাহেবকে সেটি নিয়ে দহরম-মহরম শুরু করতে হয় । সমালোচনার আড়ালে চলে প্রোমোশানের ব্যবসা । এছাড়া আছে সদ্যোজাত চাটুকার বালক-বালিকার দল । 'কি দিলেন দাদা' , 'চাবুক' , 'পুরো বাণী' - স্লোগানে স্লোগানে তোষামোদের হাতেখড়ি । এর হাতে তার ঢাক আর তার হাতে ওর খঞ্জনি । পুরো ঘাড়ে ঘাড় মিলিয়ে চলে মিউচুয়াল চামচাগিরি । এদিকে জুটেও যায় চেলাচামুণ্ডা । 'আপনার লেখাটা পড়ে কারকোজিয়ান রাইটার ভিকতর নাভোরস্কির কথা মনে পডে গেল ।' মাথাচুলকানো হাভাতাদের থেকে মিলে যায় সম্ভ্রম । আর কি চাই ! কেও বেগরবাই করতে এলেই চাড্ডি ফাড্ডি বলে , দু'চারটে কাঁচাপাকা কেতাবি বুলি হেদিয়ে ভাগিয়ে দাও ।

তাতে লাভ ?

'আনন্দ' , নিদেনপক্ষে 'দে'জ' - শ্রেষ্ঠ কবিতার বৌছার ।

বিঃদ্রঃ - নমুনা শব্দটিকে বিশেষণ হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে ।

No comments:

Post a Comment