মফঃস্বলের অভিজ্ঞতা থেকে:
কিছু স্বঘোষিত মধ্যবিত্ত পরিবারের (আর্থিক পর্যায়ে নিম্ন মধ্যবিত্ত এবং সামাজিক ও নৈতিক পর্যায়ে দরিদ্র সীমার নিচে) বিশেষ একপ্রকার সদস্য - যাদেরকে সমাজ ঘরের মেয়ে বলেই চেনে, অভিনব 'ছেলে ধরা' আইনটি শিবরাত্রির টোটকা স্বরূপ মাথায় তুলে নিয়েছে।
মাধ্যমিক গেল। উচ্চমাধ্যমিক গেল। অবশেষে কোথাও ঠাই না পেলে পড়ে আছে কারিগরি বিদ্যা, বাপের বেতনের চেয়েও বেশি জয়েন্ট এন্ট্রান্সের র্যাঙ্ক। তাতেও মেয়ের মায়ের বুকভরা আশা - পঞ্চাশ হাজার মাসিক মাইনের চাকরি লাগাবেই লাগাবে।
ষোলোআনা শৈশবের অভিজ্ঞতা বলছে, হাফপ্যান্ট পরা, উসকোখুসকো চুলওয়ালা, কালো বেঁটে সেই লোকটাই ছেলেধরা। কেও কি ভাবতে পারে, ছেলেধরারা গগলস হিল টপ জিন্স পড়েও ঘুরে বেড়ায়। WBUT সপ্তাহে দুদিন ছুটি দিয়েছে - বাস, আর যাই কোথায়। মাসে দুদিন বাড়ি আর বাকি কয়দিন চিকেন কারি। প্রিন্সেপ ঘাট, মিলেনিয়াম পার্ক, এলিয়ট পার্ক, ভিক্টোরিয়া তো আবাধ বিচরনে প্রসিদ্ধ। সন্ত্রাস বই যা ছড়াবে ছড়াও। পারমিশান হ্যাঁয়।
বলরামের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে কোমরের নিচে গদা চালানো নিষিদ্ধ। ইদানীং ধর্মরক্ষা করতে গিয়ে ভীমের পথেই মাঝে মধ্যে চলে যেতে হয়। মালদার পার্টি থাকলে তো পুজোর কেনাকাটা সুনিশ্চিত। পার্টি ফসকে গেলে, টেনশন নট - ফ্রেন্ডলিস্ট ঘাঁটলেই হল। সমাপ্ত।
ক্লাইম্যাক্স। কয়েকদিন পর দেখলেন অমুক জায়গায় তমুক ছাত্রীর গণধর্ষণ, দিয়ে হত্যা। আর যাই কোথায়, আলমারি থেকে পুরনো প্যান্ট বের করবেন - কী রাস্তায় মোমবাতি ধরে বসতে হবে না। প্রমুখ দিদি বা বৌদি কোমর বেঁধে ক্যাম্পেন করবেন। তামাশা চলবে আর কি। তবে যদি একটু চেষ্টা চরিত্র করে সম্ভব হয় দেখবেন মেয়েটির ফেসবুকের চ্যাটবক্স খুলে। অশ্লীল কথোপকথনে আপনারই শ্রীঅঙ্গ মাথায় উঠে যাবে। বলছি না - সব মেয়েই করে। তবে করে তো অবশ্যই। ওদের নাকি পড়াশুনোয় কত চাপ। চাপ হবে না ই বা কেন বলুন। শুধু ছেলে ধরলেই কি হল, তাকে হাতে ধরে রাখা যথেষ্ট পরিশ্রমের কাজ - তার পরেও কি আর পড়াশোনায় সময় পাওয়া যায়? কুকুরের মত জিভ বের করে, যে পার্টি যত ফেলবে তার দিকে ছুটে চলে যাওয়ার মানসিকতা সম্পন্ন আমাদের এই 'ঘরের মেয়ে' যখন মাসের শেষে বাড়ি ফেরে, ভাই বোনেদের শাসন করে, তখন তাদের মা পঞ্চাশ হাজার মাইনের গুড়ে জাল দিতে দিতে বলে - 'আমার মেয়ের মত মেয়ে হয় না। সবাই আমার মত মেয়ে পায় না।'
কিছু স্বঘোষিত মধ্যবিত্ত পরিবারের (আর্থিক পর্যায়ে নিম্ন মধ্যবিত্ত এবং সামাজিক ও নৈতিক পর্যায়ে দরিদ্র সীমার নিচে) বিশেষ একপ্রকার সদস্য - যাদেরকে সমাজ ঘরের মেয়ে বলেই চেনে, অভিনব 'ছেলে ধরা' আইনটি শিবরাত্রির টোটকা স্বরূপ মাথায় তুলে নিয়েছে।
মাধ্যমিক গেল। উচ্চমাধ্যমিক গেল। অবশেষে কোথাও ঠাই না পেলে পড়ে আছে কারিগরি বিদ্যা, বাপের বেতনের চেয়েও বেশি জয়েন্ট এন্ট্রান্সের র্যাঙ্ক। তাতেও মেয়ের মায়ের বুকভরা আশা - পঞ্চাশ হাজার মাসিক মাইনের চাকরি লাগাবেই লাগাবে।
ষোলোআনা শৈশবের অভিজ্ঞতা বলছে, হাফপ্যান্ট পরা, উসকোখুসকো চুলওয়ালা, কালো বেঁটে সেই লোকটাই ছেলেধরা। কেও কি ভাবতে পারে, ছেলেধরারা গগলস হিল টপ জিন্স পড়েও ঘুরে বেড়ায়। WBUT সপ্তাহে দুদিন ছুটি দিয়েছে - বাস, আর যাই কোথায়। মাসে দুদিন বাড়ি আর বাকি কয়দিন চিকেন কারি। প্রিন্সেপ ঘাট, মিলেনিয়াম পার্ক, এলিয়ট পার্ক, ভিক্টোরিয়া তো আবাধ বিচরনে প্রসিদ্ধ। সন্ত্রাস বই যা ছড়াবে ছড়াও। পারমিশান হ্যাঁয়।
বলরামের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে কোমরের নিচে গদা চালানো নিষিদ্ধ। ইদানীং ধর্মরক্ষা করতে গিয়ে ভীমের পথেই মাঝে মধ্যে চলে যেতে হয়। মালদার পার্টি থাকলে তো পুজোর কেনাকাটা সুনিশ্চিত। পার্টি ফসকে গেলে, টেনশন নট - ফ্রেন্ডলিস্ট ঘাঁটলেই হল। সমাপ্ত।
ক্লাইম্যাক্স। কয়েকদিন পর দেখলেন অমুক জায়গায় তমুক ছাত্রীর গণধর্ষণ, দিয়ে হত্যা। আর যাই কোথায়, আলমারি থেকে পুরনো প্যান্ট বের করবেন - কী রাস্তায় মোমবাতি ধরে বসতে হবে না। প্রমুখ দিদি বা বৌদি কোমর বেঁধে ক্যাম্পেন করবেন। তামাশা চলবে আর কি। তবে যদি একটু চেষ্টা চরিত্র করে সম্ভব হয় দেখবেন মেয়েটির ফেসবুকের চ্যাটবক্স খুলে। অশ্লীল কথোপকথনে আপনারই শ্রীঅঙ্গ মাথায় উঠে যাবে। বলছি না - সব মেয়েই করে। তবে করে তো অবশ্যই। ওদের নাকি পড়াশুনোয় কত চাপ। চাপ হবে না ই বা কেন বলুন। শুধু ছেলে ধরলেই কি হল, তাকে হাতে ধরে রাখা যথেষ্ট পরিশ্রমের কাজ - তার পরেও কি আর পড়াশোনায় সময় পাওয়া যায়? কুকুরের মত জিভ বের করে, যে পার্টি যত ফেলবে তার দিকে ছুটে চলে যাওয়ার মানসিকতা সম্পন্ন আমাদের এই 'ঘরের মেয়ে' যখন মাসের শেষে বাড়ি ফেরে, ভাই বোনেদের শাসন করে, তখন তাদের মা পঞ্চাশ হাজার মাইনের গুড়ে জাল দিতে দিতে বলে - 'আমার মেয়ের মত মেয়ে হয় না। সবাই আমার মত মেয়ে পায় না।'
No comments:
Post a Comment